বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥ ইবাদতে চাই পূর্ণ মনোযোগ: রমজান হোক আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের মাস নেতানিয়াহুর ‘মৃত্যু’ নিয়ে ধোঁয়াশা: ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবিকে ‘গুজব’ বলছে ইসরায়েল ২০৪২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকবেন তারেক রহমান: জয়নুল আবদিন ফারুক

ভারতসহ ৩ দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে ট্রাম্পের সম্মতি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, একুশের কণ্ঠ:: রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি তেল কেনার অভিযোগে ভারত, চীন ও ব্রাজিল- এই তিন দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব সংক্রান্ত একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারী) মার্কিন পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বর্তমানে ভারত ও ব্রাজিলের ওপর ৫০ শতাংশ এবং চীনের ওপর ৩০ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক জারি আছে। যদি ‘গ্রাহাম-ব্লুমেন্টাল নিষেধাজ্ঞা বিল’ নামের এ বিলটি পাস হয়, তাহলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সেইসব দেশের উপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হবে যারা জেনেশুনে রাশিয়ান তেল বা ইউরেনিয়াম কিনে ‘রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধযন্ত্রে জ্বালানি’ যুগিয়েছে। এই বিলের আরও একটি উদ্দেশ্য হলো রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়া।

বিবৃতিতে গ্রাহাম বলেছেন, গতকাল বুধবার ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে এই বিলের ব্যাপারে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা হয় তার। ট্রাম্প এই বিলে সমর্থন জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন গ্রাহাম।

এটা সঠিক সময়ে পাস হবে। কারণ ইউক্রেন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে অন্যদিকে পুতিন কেবল কথাই বলছেন, আর রাশিয়ার সেনারা এখনও নিরপরাধ লোকজনকে হত্যা করছে, বিবৃতিতে বলেছেন গ্রাহাম।

তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেই এই বিলটির ওপর মার্কিন এমপিদের ভোটগ্রহণ শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক বিধি অনুসারে, প্রথমে বিলটি যাবে নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ বা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে। সেখানে পাস হলে সেটি যাবে উচ্চকক্ষ সিনেটে। সিনেটে সবুজ সংকেত মিললে শেষে বিলটি পাঠানো হবে প্রেসিডেন্টের দপ্তরে। সেখানে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের পর বিলটি কার্যকর হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com